মুহাররাম মাসের ১০ তারিখ আশুরা
যেদিন মুসা (আ.) লোহিত সাগর পাড়ি
দেন বনী ইসরাইলকে নিয়ে আর সাগরে
নিমজ্জিত হয় ফেরাউন ও তার বাহিনী।
আশুরার দিন করনীয় ------
আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস (রা) হতে বর্ণিত,
তিনি বলেন,
নবী করিম সাল্লাল্লাহু (সা) মদিনায়
আগমন করে দেখতে পেলেন ইহুদিরা
আশুরার দিন রোজা পালন করছে। নবীজী
বললেন , এটি কি? তারা বলল, এটি একটি
ভাল দিন। এ দিনে আল্লাহ তাআলা বনি
ইসরাইলকে তাদের দুশমনের কবল থেকে
বাঁচিয়েছেন। তাই মুসা (আ.) রোজা পালন
করেছেন। রাসূলুল্লাহ বললেন, মুসাকে
অনুসরণের ব্যাপারে আমি তোমাদের
চেয়ে অধিক হকদার। অত:পর তিনি রোজা
রেখেছেন এবং রোজা রাখার নির্দেশ
দিয়েছেন। {বোখারি:১৮৬৫}
আশুরার রোযা রাখার নিয়ম -------
৯ ও ১০ তারিখ অথবা ১০ এবং ১১-এ
মুহাররাম রোযা রাখা কারন সুধু ১০
তারিখ ইহুদিরা রোযা রাখে।
রাসুল (সা) বলেছেন "যদি আমি আগামী
বছর বেঁচে থাকি তাহলে ৯ই মুহাররাম
রোযা রাখব'' (মুসলিম) ।
তাই আমরাও আশুরার দিনের সাথে তার
আগের দিন বা পরের দিন রোযা রাখার
চেষ্টা করব ইনশাহ-আল্লাহ্ ।
উল্লেখ্য:
এই দিনে শিয়ারা যেটা করে থাকে
(নিজের শরির কাটা) এরকম কোন কিছু
কুরআন ও সাহিহ হাদিসে নেই। নিশ্চই
কুরআন ও সাহিহ হাদিসের বাইরের কোন
কিছুকে ইসলামিক রিতী হিসেবে মানা
চরম অন্যায়।
যেদিন মুসা (আ.) লোহিত সাগর পাড়ি
দেন বনী ইসরাইলকে নিয়ে আর সাগরে
নিমজ্জিত হয় ফেরাউন ও তার বাহিনী।
আশুরার দিন করনীয় ------
আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস (রা) হতে বর্ণিত,
তিনি বলেন,
নবী করিম সাল্লাল্লাহু (সা) মদিনায়
আগমন করে দেখতে পেলেন ইহুদিরা
আশুরার দিন রোজা পালন করছে। নবীজী
বললেন , এটি কি? তারা বলল, এটি একটি
ভাল দিন। এ দিনে আল্লাহ তাআলা বনি
ইসরাইলকে তাদের দুশমনের কবল থেকে
বাঁচিয়েছেন। তাই মুসা (আ.) রোজা পালন
করেছেন। রাসূলুল্লাহ বললেন, মুসাকে
অনুসরণের ব্যাপারে আমি তোমাদের
চেয়ে অধিক হকদার। অত:পর তিনি রোজা
রেখেছেন এবং রোজা রাখার নির্দেশ
দিয়েছেন। {বোখারি:১৮৬৫}
আশুরার রোযা রাখার নিয়ম -------
৯ ও ১০ তারিখ অথবা ১০ এবং ১১-এ
মুহাররাম রোযা রাখা কারন সুধু ১০
তারিখ ইহুদিরা রোযা রাখে।
রাসুল (সা) বলেছেন "যদি আমি আগামী
বছর বেঁচে থাকি তাহলে ৯ই মুহাররাম
রোযা রাখব'' (মুসলিম) ।
তাই আমরাও আশুরার দিনের সাথে তার
আগের দিন বা পরের দিন রোযা রাখার
চেষ্টা করব ইনশাহ-আল্লাহ্ ।
উল্লেখ্য:
এই দিনে শিয়ারা যেটা করে থাকে
(নিজের শরির কাটা) এরকম কোন কিছু
কুরআন ও সাহিহ হাদিসে নেই। নিশ্চই
কুরআন ও সাহিহ হাদিসের বাইরের কোন
কিছুকে ইসলামিক রিতী হিসেবে মানা
চরম অন্যায়।
No comments:
Post a Comment